ঢাকা, বাংলাদেশ  |  বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬



  বিভাগ : পরবাস তারিখ : ০২-১০-২০২৫  


হঠাৎ দেখা পথের মাঝে


  আবদুল্লাহ আল-হারুন, জার্মানি থেকে



এক শনিবারের সন্ধ্যায় আমার শহর থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে ফ্রাঙ্কফুর্টের দক্ষিণ-রেল স্টেশানে ট্রামে করে যাচ্ছি মামুনের সাথে দেখা করতে। বিকেলে সে ওখানে একটা পত্রিকার দোকানে খন্ডকালিন কাজ করে। সাড়ে সাতটায় কাজ শেষ। কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে নানারকম পত্রিকা পড়তে পারে। এতেই সে বেজায় খুশি। এ শহরে একটাই ট্রামলাইন। শুধু তাই নয়, এখানেই ট্রামের শেষ স্টপ। যাত্রী নামিয়ে কয়েকমিনিটের মধ্যেই ও আবার ঘুরে গিয়ে যে পথে এসেছিল সে পথেই ফিরে যায়। কাজের দিনে, রবিবার ছাড়া প্রতি কুড়ি মিনিটে একটি করে ট্রাম আসে। আজ শনিবার তাই স্টপে তরুণ-তরুণীদের বেশ ভিড়। ফ্রাঙ্কফুর্ট ও আশেপাশের নানা শহরে সবাই ডিস্কোতে নাচতে যাচ্ছে। এদের দেখে প্রায় অর্ধশত বছর আগের হারানো যৌবনের কথা মনে হয়।  প্রতিসন্ধ্যায় সূর্য ডোবার আগে বাড়ি ফেরার কড়া নির্দেশের ঝুঁকি নিয়েও মফ:স্বল শহরের সিনেমা হলের সামনে দাঁড়িয়ে, সান্ধ্য শো শুরু হবার আগে বাইরে মাইকে বাংলা গান নিয়মিত শুনতাম। এটাই ছিল আমাদের ঐ সব দিনের একটি প্রধান বিনোদন। একাধবার মাসে ম্যাটিনি শো ছবি দেখা ছিল মহা উৎসব। এটার জন্য যে কাঠখড় পোড়াতে হতো, তা বিস্তারিত লিখলে চার/পাঁচ পাতাতেও কুলোবে না। এই সব দেশে কোনো বাড়িতেই ‘সূর্যাস্ত আইন’ নেই। বয়স্ক ছেলেমেয়েরা নিজেদের দায়িত্বেই দিনের শেষে বাড়ি ফেরে। আমাদের মত কয়েক মিনিট দেরি করে রাতের আঁধারে বাড়ি ফেরার পর চ্যালা কাঠের পিটুনিতে পিঠ জর্জরিত হবার কাহিনি এদের কাছে মধ্যযুগীয় বর্বরতা! অনেককে বলে দেখেছি, বিশ্বাস করে না! একজন বলেছিল তোমার বাবা এত কঠোর ছিলেন, পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করোনি কেন? কোনো উত্তর দিতে পারিনি।
ট্রাম এল। যাত্রীরা সবাই নামার পর, দলে দলে সবাই যখন উঠছে আমি ও আমার মত কয়েকজন বয়স্ক অপেক্ষা করছি। যৌবন জলতরঙ্গ শেষ হবার পর বগিতে উঠে দেখি একটা আসনই খালি। দুজন বসতে পারে। জানালার দিকে বসলাম আমি। আমি জানি আমার পাশে কেউ বসবে না। জার্মানদের অশ্বেতাঙ্গ প্রীতি বেশির ভাগই বাইরে বাইরে। তবে আইন-শৃঙ্খলার লোকেরা সাধারণত সাদা-কালোর পার্থক্য করে না। বইপুস্তক, পত্র-পত্রিকা, সমস্ত মিডিয়ায় সবসময় ‘গাহি সাম্যের গান’। চাকরি, পড়াশুনা সব জায়গায় সব বর্ণের অবাধ যাতায়াত। কিন্তু অন্তরে অন্তরে এরা নিজেদের রংয়ের বাইরে কোনো অপরিচিতের সাথে পারতপক্ষে নিকটে আসে না। তেত্রিশ বছরে ট্রামে বাসে রেলে যাতায়াত করে এ অভিজ্ঞতাটি আমার অসংখ্যবার হয়েছে। প্রথম দু’এক বছর রাগ হতো। এখন ভাবি মন্দ কী। দুজনের সিটে একা শরীর এলিয়ে বসা যায়। তবে উঠেই আসনটি পুরো দখল করতে নেই। পাশের জায়গাটি গাড়ি না ছাড়া পর্যন্ত খালি রাখতে হয়। যাতে যে কেউ বসতে পারে। অনেকসময় বাদামী-কালো কেউ এসে আনন্দটি মাটি করে দেয়। ওদের তো আর আমাকে নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই। 
এখানে ট্রাম, ট্রেনে এক বগী থেকে আরেকটাতে যাওয়া যায়। মাঝখানের জোড়ে প্রশস্ত দরজা আছে। এতে খালি জায়গা খোঁজার সুবিধা। একটাতে না পেলে হেঁটে পরেরটাতে এসে ভাগ্য পরীক্ষা করা যায়। এরকমই  একজন স্থান-অন্বেষক মহিলা পেছন থেকে এসে আমার পাশে ধপ করে বসে পড়লেন, হাঁপাচ্ছেন। মনে হয় ট্রাম ছাড়ার আগের মুহূর্তে কোনোমতে দৌড়ে এসে পাশের বগিতে ঢুকে জায়গা না পেয়ে আমাদেরটাতে এসেছেন। আমি জানি এখন কী হবে! মহিলা পঞ্চাশোর্ধ। সুশ্রী, মাথায় পাতলা সাদা চুল। এদের ভাষায় ব্লন্ড।
আমার দিকে তাকিয়ে সাপ দেখার মত শশব্যস্ত হয়ে উঠে গেলেন। আরেকদিকের সিটে বসা এক তরুণী তার এই দ্রুত ওঠার ভংগিটি দেখে হো হো করে হেসে ওঠল। মনে হলো ঘটনা দেখে হাসছে না। আমার গায়ের রংকে ব্যঙ্গ করছে। আমি সাধারণত উত্তেজিত হই না। অনেকসময় অনেক উস্কানি এড়িয়ে যাই। ভাবি দেশটা তো ওদের! কিন্তু আজ এই তরুণীর অট্টহাসিতে মনে হলো পিঠে বাবার চ্যালাকাঠের আঘাত। মহিলা ওঠে কয়েক পা এগিয়ে ছাদের রড ধরে দাঁড়ালেন। আমি বললাম,  ‘Ich stinke nicht. Wenn Sie wollen, ruhig bei mir sitzen’  ‘আমার গায়ে কোনো গন্ধ নেই। ইচ্ছা করলে আমার পাশে স্বাচ্ছন্দ্যে বসতে পারেন।’ ইলেক্ট্রিক ট্রাম। ভেতরে তেমন শব্দ নেই। আমি ইচ্ছে করেই একটু জোরে বলেছি। হাস্যময়ী তরুণী হাসি বন্ধ করে মুখটি শক্ত করে অন্যদিকে তাকালো। গাড়ির আর সবাই আমার ও মহিলার দিকে তাকিয়ে দেখছে। কী ভেবে মহিলাটি এসে বললেন, `Entschuldingen Sie. Ich wollte Sie nicht stören!’ ক্ষমা করবেন, পাশে বসে আপনাকে আমি বিরক্ত করতে চাইনি। বলেই পাশের খালি জায়গায় বিনা সংকোচে বেশ গা ঘেঁসেই বসলেন। আমি বললাম, একজন সুন্দরী নারী পাশে বসলে বিরক্ত হব, সেরকম গবেট পুরুষ আমি নই। এ কথায় মহিলা হেসে দিলেন। আশেপাশে সবারই মুখে কৌতুকের হাসি। এক মুহূর্তে অবহাওয়া পাল্টে গেল। আমার প্রথম বাক্যের পর, সবাই নীরব হয়ে গিয়েছিল। এবারে কথাবার্তা শুরু হলো সবার। এরা এসব ব্যাপারে মোটেও কৌতূহলি নয়। মহিলা আমার পাশে বসেছেন। সবাই খুশি। আমাদের দিকে আর কেউ তাকিয়ে নেই। 
‘আমি ডোরিস। ডোরিস বোরিংগার।’ একটু আশ্চর্য হলাম। এখানে প্রথম পরিচয়ে সাধারণত কেউ তার ডাক নাম বলে না। বলে পারিবারিক নামটি। তিনি প্রথমেই তার ছোট নাম ডোরিস ও পরে পরিবারের নাম নিলেন। এর অর্থ একটাই। তিনি সত্যিই আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। ‘আমি আবদুল্লাহ, এবং থেমে আল-হারুন’ বলে তার বাড়ানো হাতটি নিয়ে করমর্দন করলাম। আমিও তার মত আমার ডাক ও পারিবারিক নাম (যা এদেশে এসে স্থির করেছি) বললাম। জার্মান সামাজিক নিয়মে আমরা এখন পরস্পরের পরিচিত হয়ে গেলাম। 
তারপরই সেই সনাতন প্রশ্ন, ‘আপনি কোথা থেকে এসেছেন?’  
‘আসছি তো এই শহর থেকে।’ তিনি বললেন, ‘না না আপনার দেশটি কোথায়?’ 
‘পাসপোর্টের দেশ না জন্মভূমি কোনটা শুনতে চান?’ 
‘দুটোই।’ 
‘পাসপোর্টে আমি ও আপনি স্বদেশী। কিন্তু আমার জন্মভূমি বাংলাদেশ।’  
‘অনেক দূরে।’  
‘তবে চাঁদের চেয়ে কাছে।’ প্রশ্ন করলেন, ‘তার মানে?’ 
আমি বললাম, ‘চাঁদে তো ইচ্ছা করলেই যাওয়া যায় না। আমার দেশে আমি চাইলেই, মানে প্লেনের টিকেট কিনতে পারলেই যেতে পারি।’ 
‘আপনি বেশ মজা করে কথা বলেন তো।’ 
‘আপনার ভালো লাগছে শুনতে?’ 
‘অবশ্যই।’ 
‘কিন্তু আমি অন্তত দশটি চাকরি এরকম কথাবার্তা বলেই হারিয়েছি।’ 
‘সবারই তো রসবোধ এক নয়। আমি আপনাকে কখনও চাকরি থেকে নোটিস দিতাম না।’ 
‘আছে নাকি আপনার কাছে কোনো চাকরি? আমি ২০০৭ সাল থেকে বেকার। পেনশনের আরেক বছর বাকি আছে। শেষ বছরটা চাকরি করতে পারলে মন্দ হতো না।’ তিনি হেসে বললেন, ‘আমি ফ্রাঙ্কফুর্টে একটা বাণিজ্যিক অফিসে কাজ করি। আপনি আসুন ওখানে। আমি বসকে বলব, আপনার জন্য কোনো কাজ আছে কি না।’ এই এক বিপদ জার্মানদের নিয়ে। সব কথাই সিরিয়াসলি নেয়। আমি বললাম, ‘ধন্যবাদ। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্ট তো বহুদূরে। কাজ করলে আশেপাশেই খুঁজে নেব।’
‘সেকি? গাড়িতে তো আধঘণ্টার রাস্তাও না!’ আমি বললাম, ‘আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিন্তু গাড়ি সেই ২০০২ থেকে নেই।’ শুনে একটু দমে গেলেন। প্রসঙ্গ বদলে বললেন, ‘কতদিন ধরে জার্মানিতে আছেন?’ বছরের সংখ্যা শুনে বেশ বিস্মিতই হলেন। বললেন, ‘বুঝলাম আপনি কেন এত সুন্দর জার্মান বলেন।’ আমি বললাম, ‘আপনাদের ভাষার প্রেমে পড়ে কিন্তু আমি জার্মান শিখিনি।’ 
‘ব্যাখ্যা করুন দয়া করে।’
আমি বললাম, ‘সাঁতার শেখানোর সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি কি জানেন?’ তিনি মাথা দুলিয়ে না বলাতে আমি বললাম, ‘যে জানে না তাকে নিয়ে পানিতে ফেলে দিন কয়েকবার। প্রাণ বাঁচানোর জন্য ক’দিনেই সাঁতার শিখে যাবে। তবে এ বিধি শুধু বয়স্কদের জন্য। শিশুদের জন্য নয়। আমিও বত্রিশ বছর বয়সে জার্মানে এসে কথা না বলার না বোঝার সাগরেই পড়ে গিয়েছিলাম। জান বাঁচানোর তাগিদেই শিখতে হয়েছে।’
তারপর বললাম, ‘আমার কথা তো অনেক শুনলেন। এবার আপনার কথা বলুন।’ 
‘আমার চাকরি বাড়ি সবই ফ্রাঙ্কফুর্টে। আপনাদের শহরে আমার এক বুড়ো কাকি থাকেন ওল্ডহোমে। তাকে দেখতে এসেছিলাম।’ আমি বললাম, ‘আপনার বাড়িতে কি নো ভ্যাকেন্সির প্লাকার্ড টানানো?’ 
‘বুঝলাম না, কী বলতে চাইছেন?’ 
‘আপনি কি একা? না, সঙ্গী সাথী, মানে পরিবার...’ 
‘ও, তো এত ঘুরিয়ে বলছেন কেন? আমি বছরতিনেক হলো একা। স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়ে গেছে।’
‘ছেলে মেয়ে?’ বললেন, ‘ওহ গড, সে ঝামেলা নেই। আপনার কী অবস্থা?’ আমার মতই কৌতুক করে জিজ্ঞেস করলেন। 
‘আপনার কার্বন কপিই বলতে পারেন। তবে ডিভোর্সের ঝামেলা হয়নি। আমরা বিয়েই করিনি। সাত বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।’ 
‘ও বাব্বা, সাত বছর ধরে একা থাকেন?’ 
‘আপনিও আর চার বছর পরেই এসময়ে এসে যাবেন। দেখবেন সময় ঠিকই বয়ে চলে। আপনি সিঙ্গল না জোড়া এটা নিয়ে সময়ের কোনো মাথাব্যথাই নেই।’ 
‘আপনি ভ্যাকেন্সির কথা জিজ্ঞেস করলেন কেন ? এপ্লাই করার ইচ্ছে আছে?’ আমি বললাম, ‘পেশায় আমি জন্ম বেকার। নিজের দেশেও, এ দেশেও। তবে এখন সাবধান হয়ে গেছি। যখন তখন আর আবেদন করি না। সে বয়সও নেই।’ এ কথায় কেন জানি ডোরিসের হাসি হাসি মুখটি একটু থমথমে হয়ে গেল। কী জবাব আশা করেছিল ও? আমি আবেদন করতে পারি?
‘একা থাকতে আপনার মনে হয় ভালোই লাগে।’ বললাম, ‘একা থাকার কিছু কষ্ট তো আছেই। তবে বেশ কিছু সুবিধাও আছে।’ 
‘কি সুবিধা?’ তার প্রশ্ন। আমি বললাম, ‘বাথরুমে গেলে দরজা বন্ধ করতে হয় না। রাত বিরেতে উঠে চা বানিয়ে খাওয়া যায়, গান শোনা যায়, বই পড়া যায়। কেউ বলে না, আ! আবার বাতি জ্বালালে, আমার ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে!’ ডোরিস হেসে বলল, ‘তাই তো এসব ভেবে দেখিনি। আসলেই তো একা থাকার অনেক সুযোগ সুবিধা!’ 
‘বুঝুন তাহলে, কিভাবে সাত বছর কাটিয়ে দিলাম! তবে আপনার বয়স তো আমার চেয়ে অনেক কম মনে হয়। বলছিলেন পেনশনের এখনও ১০/১২ বছর দেরি আছে। তাহলে আরেকটি চান্স নিতে পারেন। এটা ঠিকমত না লাগলে, আমৃত্যু একা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবেন।’ 
হঠাৎ কোনো ভাবনাচিন্তা না করেই ডোরিস বললেন, ‘আসুন না, চান্সটা দুজনে মিলেই নেই!’ বলে কী? এতটা ঠাট্টা রসিকতা করা ঠিক হয়নি। আমি বললাম, ‘আপনাকে তো বলেছি এক বছর পরেই আমার পেনশন।’ 
‘আমি বয়স্ক লোকদের খুব পছন্দ করি। তারা বিশ্বস্ত হয়। আমার বাবা ছিলেন আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু।’
‘তিনি বেঁচে নেই?’ বললেন, ‘না, গত বছর মারা গেছেন। বয়স হয়েছিল ৭২। ক্যান্সারে মারা গেছেন। বেশিদিন ভুগতে হয়নি। রোগটি ধরা পড়ার তিনমাসের মাথায়ই চলে গেলেন। টমাসের সাথে ঘর ভাংগার পর যতটা না দু:খ পেয়েছিলাম, বাবার মৃত্যুতে আমি তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছি। সবসময় মিস করি। বাবার মৃত্যুর পর আমি সত্যিই একা হয়ে গেছি।’ 
আমি প্রানপণে চাইছি গন্তব্য এসে যাক। কথাবার্তার মোড় ভালো নিচ্ছে না। 
অনেক সময় আমার আকাক্সক্ষা পূর্ণ হয়! দক্ষিণ স্টেশানের স্টপ এসে গেল। ডোরিস এখানে থেকে অন্য গাড়িতে ফ্রাঙ্কফুর্ট যাবে। নেমে টিকেটের আরেক পাতায় ওর টেলিফোন নম্বর লিখে আমাকে দিল। বলল, ‘ইচ্ছে হলে টেলিফোন করো আমাকে।’ এবার তুমি করেই বলল। আমি বললাম, ‘আমার নম্বর নেবে না?’ ‘তুমি যদি টেলিফোন কর, তোমার নম্বর এমনিতেই পেয়ে যাবো।’ সম্পর্কের দড়িটি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে একটু বিরস মুখে, ‘আবার দেখা হবে বলে,’ আমার হাতে সামান্য স্পর্শ করে কোনোদিকে না তাকিয়ে হন হন করে স্টেশানের অন্যদিকে চলে গেল। মনে হয় আমার উদাসীনতায় বেশ দুঃখ পেয়েছে।
আমি কিছুক্ষণ বিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। টেলিফোন নম্বর লেখা কাগজটি একটু দেখেই কয়েক টুকরো করে ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিলাম। নিজের ওপর ভীষণ রাগ হলো। কেন বেচারিকে এত কিছু বললাম? 
মনে অনুতাপ আর হৃদয়ে ব্যথা নিয়ে মামুনের দোকানের দিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলাম।
প্রাক্তন প্রেমের স্মৃতির বোঝা এখনও ঘাড় থেকে নামাতে পারিনি। ন্যাড়া তো আর দুবার বেলতলায় যায় না।


 নয়ে ইজেনবুর্গ, জার্মানি


 নিউজটি পড়া হয়েছে ১৫৯ বার  






 

পরবাস

 
স্টকহোম ক্লাবের দশ বছর পূর্তি পালিত হলো জাঁকজমকভাবে

 
ক্লেদজ কুসুম

 
মেকং ডেল্টা

 
ওয়ার মিউজিয়াম: মার্কিন নৃশংসতার দলিল

 
নবেল পুরস্কার অনুষ্ঠানে

 
সায়গনের ১২১ কিলোমিটার লম্বা চুচি টানেল

 
হিউ ভিয়েতনাম ও হোচিমিনের জন্মস্থান

 
ভিয়েতনামের ট্র্যাজিক মাইলাই ও শান্ত হোইআন

 
হ্যালংবে

 
ভিয়েতনাম: দ্যা ল্যান্ড অব ড্রাগন্স

পরবাস বিভাগের আরো খবর






 

আমাদের  মানচিত্র

ঠিকানা: দেওয়ান কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৬০/ই/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
ঢাকা: পল্টন রিসোর্সফুল সিটি, ৫১/এ পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা), ঢাকা-১০০০।
নারায়ণগঞ্জ: ৪৫/৩ মতিন ভিলা, হাজী ব্রাদার্স রোড, জামতলা, নারায়ণগঞ্জ।

ফোন: ০১৯১৪-৭৩৫৮৫৮, ০১৯১৪-৮৭৫৬৪০

 


সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি
আবদুল্লাহ আল হারুন
প্রধান সম্পাদক
আসিফ হাসান নবী

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো. জিয়াউল হক
বিশেষ সংবাদদাতা
র‌বিউল ইসলাম সো‌হেল

 


President of the Editorial Board
Abdullah Al-Harun
Chief Editor
Asif Hasan Nabi

Editor & Publisher
Md. Ziaul Haque
Special Correspondent
Robiul Islam Sohel

  Location Map
Copyright © 2012-2026

All rights reserved

concept, design
& developed by

corporate work
 

  info@amadermanchitra.news       amadermanchitrabd@gmail.com