ঢাকা, বাংলাদেশ  |  বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬



  বিভাগ : ফিচার তারিখ : ১৯-০৩-২০২৫  


আলো ভুবন ট্রাস্ট ও একজন ড. গোলাম আবু জাকা‌রিয়া


  আসিফ হাসান নবী



আসিফ হাসান নবী: দেশপ্রেম একটি আপেক্ষিক বিষয়। এটা সকলের মধ্যে সমানভাবে থাকে না। বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে অনেকেই শেকড়কে ভুলে যায়। অথবা দেশের খোঁজ নেওয়ার সময় থাকে না। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিখ্যাত চি‌কিৎসা পদার্থ বিজ্ঞা‌নী ড. গোলাম আবু জাকা‌রিয়া একজন ব্যতিক্রমী মানুষ। ৬ মার্চ ২০২৫ খ্রি. তারিখে তাঁর আমন্ত্রণে নওগাঁ জেলার সদর উপ‌জেলার ইকুরকু‌ড়ি গ্রা‌ম পরিদর্শন করলাম। প্রত‌্যন্ত এই এলাকায় তার প্রতি‌ষ্ঠিত আ‌লো ভুবন ট্রা‌স্টের অ‌ধীন র‌হিমা বনিজ স্বাস্থ‌্যসেবা কেন্দ্র, ইকুরক‌ড়ি হাইস্কুলসহ ক‌য়েক‌টি স্থাপনা দেখলাম। ‌বি‌দেশে প্রতি‌ষ্ঠিত হওয়ার প‌রেও যে শিকড়‌কে ভোলা উ‌চিৎ নয় তা ড, জাকারিয়ার কাছ থে‌কে আমরা শিখ‌তে পা‌রি। আমা‌দের সাথে ছি‌লেন আ‌লো ভুবন ট্রা‌স্টের সিইও ডা. হা‌সিন অনুপমা আজাহারি।

ইকুরকুড়ি নিজ বাড়ির সামনে ড. জাকারিয়া

জার্মানিতে চার দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে প্রায় তিন দশকের নিবেদিত সেবার মাধ্যমে, অধ্যাপক ড. গোলাম আবু জাকারিয়া বাংলাদেশে সামগ্রিক উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে টেকসই অগ্রগতির জন্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, শক্তি উদ্ভাবন এবং গবেষণাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তিনি ২০১৭ সালে আলো ভুবন ট্রাস্ট (Alo-BT) প্রতিষ্ঠা প্রতিষ্ঠিত করেন। এটি অধ্যাপক ড. গোলাম আবু জাকারিয়া এবং তার মতো ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য উৎসাহী একদল ব্যক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। আলো ভুবন ট্রাস্ট একটি অলাভজনক, দাতব্য এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, যার মূল মন্ত্র হলো ‘মানবতার সেবা এবং টেকসই উন্নয়ন।’

রহিমা বনিজ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিতর  ডা. জাকারিয়া, ডা. হা‌সিন অনুপমা আজাহারি, লেখকসহ অন্যান্য

জার্মানিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে প্রায় ৩০ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে বাংলাদেশে কেবল তার বিশেষজ্ঞ ক্ষেত্র, ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ফিজিক্স নয়; বরং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, পরিবেশ, শক্তি এবং গবেষণার মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও উন্নয়ন প্রয়োজন। এগুলো বাংলাদেশী মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালে তিনি জার্মানির সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, ‘ফেডারেল ক্রস অফ মেরিট’ লাভ করেন। এই সম্মাননা আলো ভুবন ট্রাস্টের স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষায় উৎকর্ষের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

রহিমা বনিজ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিতরে ডা. জাকারিয়া, ডা. হা‌সিন অনুপমা আজাহারিসহ অন্যান্য

অধ্যাপক গোলাম আবু জাকারিয়া নওগাঁ জেলার সদর উপজেলায় ইকরকুড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব ও প্রারম্ভিক জীবন কেটেছে এখানে। নওগাঁর কেডি সরকারি স্কুল এবং রাজশাহী কলেজে শিক্ষা সম্পন্ন করার পর ১৯৭২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে জার্মান সরকারের বৃত্তি নিয়ে সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা পদার্থ বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের জন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। জার্মানিতে অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি সেই দেশের আপেক্ষিক উন্নয়নের কারণগুলি অনুসন্ধানে আগ্রহী ছিলেন। তারপর থেকে তিনি দেশে তার মাতৃভূমিতে ফিরে এসে এই জ্ঞান বাংলাদেশীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি তার বিশেষজ্ঞ ক্ষেত্র বিশেষ করে মেডিকেল ফিজিক্সে কাজ করতে আগ্রহী এবং গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, হাসপাতাল এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো অন্যান্য খাত উন্নত করতে আগ্রহী হলেন। এটি তাকে মাতৃভূমিতে তার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিতরণের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তার মাতৃভূমির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা এবং শিকড়ের প্রতি নিষ্ঠা থেকে তিনি ইকরকুড়িতে একটি আধুনিক ও উন্নতমানের স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। যার নাম দেয়া হয়েছে রহিমা বনিজ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্যান্সার স্ক্রিনিং সেন্টার (আরবিডিসিএসসি)। যার লক্ষ্য তার জন্মস্থান এবং আশেপাশের এলাকার মানুষদের সেবা করা।

রহিমা বনিজ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্যাথলোজি, ফিজিওথোরপি, আল্ট্রসনোগ্রাফির অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। যেগুলো সরাসরি জার্মানি থেকে আনা

২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত আলো ভুবন ট্রাস্টের একটি সহযোগী সংস্থা রহিমা বনিজ হেলথকেয়ার সেন্টার (আরবিএইচসি)। এই কেন্দ্রটি এলাকার কৃষক, দরিদ্র এবং সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা এবং গুণগত মান উন্নত করতে নিবেদিত। সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও, আরবিএইচসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা কর্মসূচি, টিকাদান, ফিজিওথেরাপি, সোনোলজি এবং টেলিমেডিসিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদান করে আসছে। এটি একটি রেফারেল সেন্টার হিসেবেও কাজ করে। এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে অসংক্রামক রোগগুলির চিকিৎসা প্রদান করে, যেমন ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং, সাধারণ পরামর্শ, প্যাথলজিক্যাল টেস্ট, ফিজিওথেরাপি এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা। এর চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজ অর্জন করা, যা ইন-হাউস এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক সেবার মাধ্যমে সম্ভব।

শহরের প্রাণকেন্দ্র কাজির মোড়ে অবস্থিত অত্যাধুনিক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার

স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়া সেন্টার ফর মেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড ক্যান্সার রিসার্চ (SCMPCR) আলো ভূবন ট্রাস্টের আরেকটি প্রকল্প। এই প্রকল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ড. জাকারিয়া বলেন, এটি বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আলো ভুবন ট্রাস্টের প্রথম এবং প্রাথমিক প্রকল্প। ক্যান্সার চিকিৎসাখাতে যোগ্য কর্মীর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনা করে বাংলাদেশে এবং সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় আধুনিক এবং উদ্ভাবনী ক্যান্সার রোগীর যত্ন প্রদানে SCMPCR গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রতিরোধ, ডায়াগনস্টিক এবং পুনর্বাসন দিকগুলি হলো RBHC, গ্রামীণ কেন্দ্রের মূল ফোকাস। তিনি আরো বলেন, আলো ভুবন ট্রাস্টের অধীনে অন্যান্য খাতে প্রকল্পগুলি একের পর এক শুরু হবে। প্রতিটি প্রকল্প প্রকল্পের অর্গানোগ্রামে নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মীবাহিনী দ্বারা পরিচালিত হবে। তাদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার সাথে, ট্রাস্টি বোর্ড আলো ভুবন ট্রাস্ট পরিচালনার জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ বলে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন আমাদের মিশন হলো সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জন্য প্রতিরোধ, সচেতনতা, ডায়াগনস্টিক্স, কম খরচে চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের উপর ফোকাস করে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং উচ্চমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জন্য সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। অসংক্রামক রোগ, বিশেষত ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং ব্যবস্থাপনা উন্নত করা। গতিশীলতা এবং পুনর্বাসন উন্নত করতে বিশেষায়িত ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা। সচেতনতা কর্মসূচি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের মাধ্যমে সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করা।

নওগাঁর ভারপ্রাপ্ত জেলাপ্রশাসকের কাছে তুলসী গঙ্গা ম্যাগাজিন হস্থান্তর করছেন, ড. জাকারিয়া ও ডা. হাসিন অনুপমা আজাহারী

প্রতিষ্ঠানের ভিশন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে ড. জাকারিয়া বলেন, গ্রামীণ বাংলাদেশের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি একটি শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, যেখানে স্বাস্থ্য, প্রতিরোধ, স্ক্রিনিং এবং সুস্থতার ক্ষেত্রে আমাদের সমন্বিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতির জন্য আমরা স্বীকৃত হবো। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি ৩ (সুস্থতা ও সুস্থ জীবন), এসডিজি ১০ (অসমতা হ্রাস), এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্যগুলির জন্য অংশীদারত্ব)-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে, আমরা মৃত্যুর হার হ্রাস এবং সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চাই।

এছাড়া মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। সচেতনতা প্রচার এবং শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যান্সার স্ক্রিনিং সেবার প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা। প্যাথলোজিক্যাল পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কম খরচে ডায়াগনস্টিক সেবা প্রদান করা। রোগীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা। ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণ এবং সাধারণ রোগের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্প্রদায়ভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং সরকারি সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতা করে গ্রামীণ অঞ্চলের ব্যক্তিদের জন্য ক্যান্সার যত্ন এবং চিকিৎসা বিকল্প উন্নত করা।

প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে কথা বলেছিলাম এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. হাসিন অনুপমা আজাহারীর সাথে। তিনি এ বিষয়ে বলেন, রহিমা বনিজ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র (RBHC) ন্যূনতম খরচে গ্রামীণ জনগণের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণের জন্য এর পরিষেবা বৃদ্ধি করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখানে একটি স্ট্রোক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সম্পূর্ণ ফার্মেসি এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিকল্পনা করছে, যার লক্ষ্য হলো ব্যাপক এবং সহজলভ্য সেবা প্রদান করা। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো RBHCকে একটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত করা, যা সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবার বিস্তৃত পরিসর প্রদান করবে। RBHC ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসার একটি সফল মডেল তৈরির জন্য কাজ করছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার জন্য উপযুক্ত অন্যান্য অসংক্রামক রোগগুলির সাথে। মডেলটি প্রথমে গ্রামপর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে এবং তারপরে আঞ্চলিক বিভাগগুলিতে সম্প্রসারিত হবে, যার ফলে দেশে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সম্ভব হবে।

কেন্দ্রের ভিতর লেখককে বিভিন্ন কক্ষ দেখাচ্ছেন ড. গোলাম আবু জাকারিয়া। সাথে আছেন গ্রাম ডাক্তার মো. আলমগীর কবি

ডা. হাসিন অনুপমা আজাহারী আরো বলেন, RBHC তে প্রতিটি ক্ষেত্রেই পেশাদারদের একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দল রয়েছে যারা মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। আমাদের বহুমুখী দলে রয়েছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যোগ্য এবং অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট, দক্ষ প্রযুক্তিবিদ, সিনিয়র স্টাফ নার্স, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এবং আরও বেশ কয়েকজন সহযোগী কর্মী। RBHC -তে ব্যাপক, রোগী-কেন্দ্রিক পরিষেবা প্রদান নিশ্চিত করতে প্রতিটি দলের সদস্য অমূল্য অবদান রাখেন। এই অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যের চাহিদা পূরণে তাদের পেশাদার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা প্রয়োগ করেন। তিনি বলেন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি বড় ধরনের অনুদান প্রদান করেছে। এছাড়া আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে নওগাঁ শহরের কাজির মোড়ে ইতোমধ্যে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে: স্মার্ট স্কিল সেন্টার। এখানে একজন দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রতিটি ব্যাচে প্রশিক্ষণ দেন।

ইকুরকুড়ি হাইস্কুলের লাইব্রেরিতে ড. জাকারিয়া, লেখকসহ অন্য শিক্ষকবৃন্দ

ইকুরকুরি উচ্চ বিদ্যালয়

 

তুলসী গঙ্গা ম্যাগাজিনের সর্বশেষ প্রচ্ছদ

ড. গোলাম আবু জাকা‌রিয়ার আরো একটি স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান হলো ইকুরকুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়। তার নিরলস প্রচেষ্টায় এই বিদ্যালয়টি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এটি টিনের তৈরি কয়েকটি কক্ষ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত নান্দনিক ৩ তলা ভবনে শিক্ষাদান চলে। প্রায় ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী এখানে পড়ছেন। বিদ্যালয়টিতে উন্নতমানের মাল্টিমিডিয়া, আধুনিক লাইব্রেরিসহ শিক্ষক আছেন। এই বিদ্যালয় থেকে ৬ মাস পর পর ‘তুলসী গঙ্গা’ নামে একটি অর্ধবার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। এই ধরনের প্রকাশনা আর কোনো বিদ্যালয়ে আছে কি না জানা নেই। এই ম্যাগাজিনে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও শিক্ষকবৃন্দ নিয়মিত লেখেন। ভবিষ্যতে এই বিদ্যালয়টি একটি উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার বিষয়ে তার নিরলস প্রচেষ্টা বিদ্যমান।


 নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৭৭ বার  






 

ফিচার

 
বাঙালির আত্মঘাতী সংস্কৃতি

 
ব্লাডি মেরি: আয়নার আড়ালের রহস্য!

 
‘হিপনোথেরাপি: সম্মোহনের মাধ্যমে চিকিৎসাপদ্ধতি’

 
স্মৃতিময় চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-১

 
ইলুমিনাতি: রহস্যেঘেরা একটি গুপ্ত সংঘটন

 
বাংলাদেশ-সুইডেন প্রশাসনিক তুলনামূলক চিত্র

 
আত্মহত্যা কোনো প্রতিবাদ নয়, অপরাধ

 
পলাশি থেকে বত্রিশ নম্বর, বিশ্বাসঘাতকতার নির্মম ইতিহাস!

 
কোডেক্স গিগাস: শয়তানের বাইবেল

 
বিশ্বে জনসংখ্যা কমবে নাটকীয় হারে!

ফিচার বিভাগের আরো খবর






 

আমাদের  মানচিত্র

ঠিকানা: দেওয়ান কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৬০/ই/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
ঢাকা: পল্টন রিসোর্সফুল সিটি, ৫১/এ পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা), ঢাকা-১০০০।
নারায়ণগঞ্জ: ৪৫/৩ মতিন ভিলা, হাজী ব্রাদার্স রোড, জামতলা, নারায়ণগঞ্জ।

ফোন: ০১৯১৪-৭৩৫৮৫৮, ০১৯১৪-৮৭৫৬৪০

 


সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি
আবদুল্লাহ আল হারুন
প্রধান সম্পাদক
আসিফ হাসান নবী

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো. জিয়াউল হক
বিশেষ সংবাদদাতা
র‌বিউল ইসলাম সো‌হেল

 


President of the Editorial Board
Abdullah Al-Harun
Chief Editor
Asif Hasan Nabi

Editor & Publisher
Md. Ziaul Haque
Special Correspondent
Robiul Islam Sohel

  Location Map
Copyright © 2012-2026

All rights reserved

concept, design
& developed by

corporate work
 

  info@amadermanchitra.news       amadermanchitrabd@gmail.com